আন্তর্জাতিক ডেস্ক: হামলার হুমকীর সাথে এবার ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ওয়াশিংটনে তাদের বৈঠকে বলা হয়েছে, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে রোধ করা মূল লক্ষ্য। এজন্য যুক্তরাষ্ট্র ম্যাক্সিমাম প্রেসার নীতি জোরদার করবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক প্রস্তুতিও বজায় রাখবে।
তবে পদ্ধতি নিয়ে দুজনের মধ্যে কিছু মতভেদ আছে। নেতানিয়াহু সতর্ক করেছেন, ইরান কোনো চুক্তি মানবে না। আর ট্রাম্প কিছুটা আশাবাদী। তিনি বলেছেন, চেষ্টা করে দেখা যাক।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন পারমাণবিক বৈঠক হতে যাচ্ছে জেনেভাতে। এর আগে মাসকটে প্রথম দফার পরোক্ষ আলোচনা হয়েছিল, যেটিকে উভয়পক্ষ গঠনমূলক বলে বর্ণনা করেছে। ইরান শুধু পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চায়, ক্ষেপণাস্ত্র বা আঞ্চলিক মিত্রদের বিষয়ে কোনো সীমাবদ্ধতা মানবে না।যুক্তরাষ্ট্র মূলত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের সমর্থন রোধ করতে চায়।
প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে কয়েক সপ্তাহের সামরিক অভিযান চালানোর জন্যও প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইতিমধ্যেই ইউএসএস জেরাল্ড আর ফর্ড স্ট্রাইক গ্রুপ ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের সঙ্গে মিলিয়ে হরমুজ প্রণালী এলাকায় মোতায়েন হয়েছে।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি ও পারমাণবিক আলোচনার মধ্যে এ পদক্ষেপ ইরানকে কূটনৈতিক ছাড় দিতে প্ররোচিত করতে পারে, কিন্তু উত্তেজনা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকিও বাড়াবে। ছবি : সংগৃহীত

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :